যৌবনের নিষিদ্ধ তাড়না
লিখেছেন : দ্বৈপায়ন সামন্ত
দরজাটা খুলেই মূহুর্তে ও পাথরের স্ট্যাচু হয়ে গেল এবার। একি দেখছে সামনে?
একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে। ঝড়ের ধাক্কায় এলোমেলো হয়ে থমকে গেছে
রজত। মেয়েটার চোখের দৃষ্টিতে চোখ আটকে গেছে ওর। মেয়েটার শরীরের জাদু ঠিকরে
যাচ্ছে ওর পাথর শরীরে। চোখের তারায় কেমন যেন একটা আকুতি। ওকে হাতছানি দিয়ে
নিশিডাকের মতন টানছে।
রজতের মুখ দিয়ে ফিস ফিস করে যেন কথা বেরিয়ে এল,
আমি অভিভূত। এ কাকে দেখছি আমি? মেয়েটার সারা শরীর বৃষ্টিতে ভিজে চপচপ করছে।
মাথায় ঐ অবস্থায় একটা ছোট্ট প্লাস্টিক। বৃষ্টির জলটাকে আড়াল করার চেষ্টা
করছে। বুকের আবরণ জলে ভিজে গেছে। ঠোট দিয়ে বৃষ্টির জল গড়িয়ে পড়ছে। রজত
তাকিয়ে রইল ওর বিধ্বস্ত ভেজা বুকের দিকে। ওর মুখের ব্রাশটা মুখের মধ্যেই
যেন আটকে গেছে।
-আমাকে ভেতরে একটু ঢুকতে দেবে?
সাত সকালে দরজায় গোড়ায় কোন এক অচেনা রমনী। রজত যেন হাতে চাঁদ পেল।
-তুমি কে? তোমার নাম কি? এখানে কে পাঠিয়েছে?
-আমার নাম সিরিজা। বৃষ্টিতে দাঁড়াতে পারছি না। আমাকে একটু ঢুকতে দাও বলছি।
মাথাটা হঠাতই ঘুরে গেছে রজতের। একটা দুর্লভ সুযোগ ওর সামনে। মেয়েটাকে ও ভেতরে ঢুকতে দিল।
আরিব্বাস। কি লাভলি ফিগার। এ যেন স্বপ্নে দেখা এক নারী। আজ তার বাস্তব রুপ।
হাত দিয়ে দুহাতে বৃষ্টির জল মুছতে মুছতে মেয়েটা বলল-দেখ কি রকম ভিজে গেছি। যা বৃষ্টি।
রজত চোখ বড় বড় করে মেয়েটার বুকজোড়া দেখতে লাগল। বৃষ্টির জলে ব্লাউজ আর
ব্রেসিয়ার একেবারে গায়ের সাথে সেটে গেছে। কোন মেয়েছেলের এত বড় বুক রজত
জীবনে দেখেনি। একটা যেন অজানা খুশীর দোলা লাগছে প্রাণে।কন্ঠস্বরে
জাদু,চোখের চাহনি, কথাবলার ভঙ্গী, রজতকে কেমন যেন আবিষ্ট করে তুলল।
মেয়েটা বাইরের ঘরে সোফার উপর বসেছে। অচেনা একটা মেয়ে ওর মুখোমুখি। যত ওকে দেখছে বিস্মিত হচ্ছে।নিজেকে ঠিক রাখাই দুষ্কর হয়ে উঠেছে।
-তুমি এখানে এলে কি করে?
-ভেবেছিলাম, কাল রাত্রিরেই আসব। বৃষ্টিটা আমাকে আটকে দিল। তারপর দেখলাম সকালেও বৃষ্টি। তাই দেরী না করে চলে এলাম।
কেমন যেন উত্তেজনাময় পরিবেশ তৈরী করেছে। রজত বলল-মানে? তুমি থাক কোথায়?
-আমি থাকি অনেক দূরে।
ভেতরে ভেতরে অস্বস্তি আর চাঁপা উত্তেজনা অনুভব করছে রজত। এমন হেঁয়ালি করছে কেন? তাহলে কি সাসপেন্স?
মেয়েটা হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে ঘরের ভেতরটা তাকাল। রজতের বেডরুমটা দেখল।
-তুমি কি এই বাড়ীতে একা থাক? বৌদি নেই?
কবাব মে হাড্ডি। আবার বৌদি কেন? রজত নিজেকে সামলে নিয়ে বলল-ও বাপের বাড়ী গেছে
-সেকী, যে আমাকে আসতে বলল, সে নিজেই বাড়ী নেই।
-বৌদি তোমাকে আসতে বলেছে। কবে?
-তা প্রায় একমাস হোল।
-একমাস আগে আসতে বলেছে, আর তুমি এখন এলে?
-কি করব বল। আমার ভাগ্য খুব ভাল তাই তোমার এখানে আসতে পেরেছি। আমার যা বিপত্তি, অনেকে আমায় জ্বালায়, বিব্রত করে।
-কেন?
-আমাকে দেখতে সুন্দর বলে।
রজতের মনে হোল ওর হঠাত বেশ ভাল লাগছে। শরীরে একটা রোমান্স জাগছে, ভাবছে
খেলাটা এখনই শুরু করে দেবে কিনা? মনে মনে বলল-তোমাকেই চেয়েছিলাম।চাওয়াটা
বৃথা হয় নি। একবার মনে হোল মেয়েটা যেন ওর টানেই চলে এসেছে ওর কাছে।রজত
উত্তেজনায় একটা সিগারেট ধরিয়ে ফেলল। লাইটারের আলোয় মুখটা উদ্ভাসিত
দেখাচ্ছে। মেয়েটাকে ভাল করে দেখছে, ওর শরীরে কোন খুঁত নেই। চোখের দিকে
তাকাল। নজরটা আসতে আসতে বুকের উপর গিয়ে পড়ল। ওফঃ যৌন আবেদনটা দেখার মতন।মুখ
নীচু করে লম্বা ভিজে চুলটা মুছছে আঁচল দিয়ে। বুকের খাঁজটা ওকে খুব
টানছিল।ঘুরে ফিরে চোখ চলে যাচ্ছিল বুকের খাজেঁ।শরীরে টানটান উত্তেজনা অনুভব
করছিল রজত। সম্পর্কটা যেন আপনা আপনি তৈরী হয়ে যাচ্ছিল। যার শরীরের এমন
গঠন।চিত্তিরটা বেশ চনমন করছে। চোখের সামনে একটা আস্ত মেয়ে পেলে যেন বলে
দিতে হবে না কি করতে হবে। রজতের বেশ পছন্দ হয়েছে মেয়েটাকে।
-বৌদি বোধহয় তোমাকে কিছু বলে নি?
-কি ব্যাপারে?
-এই আমার সন্মন্ধে।
-ভুলে গেছে। হয়তো সময় পায়ে নি।
-তুমি শুনবে আমার কথা?
-বল।
-আমি এসেছি তোমার বাড়ীতে কাজ নিয়ে। তোমার বউ একজনকে কাজের বউ এর কথা
বলেছিল। তুমি চিনবে না ওকে। ওর নাম দোলন। তোমার এ অঞ্চলেই থাকে। কাল
বৃষ্টিতে ওর ঘরের চালটা ফুটো হয়ে গেছে। ব্যাচারীর খুব কষ্ট। আমি এসেছি
দুদিন হোল। দোলনের কাছেই ছিলাম। ও বলল-তুমি এবার বৌদির কাছে চলে যাও।গিয়ে
আমার কথা বলবে, তাহলেই বুঝতে পারবে। বৌদি তোমাকে কাজে রাখবে।
রজত মনে মনে ভাবছে, দোলন কি জানে আমার বউ এখানে নেই।
-তুমি থাক কোথায়?
-আমি যেখানে থাকি সেটা তোমার বাড়ী থেকে অনেক দূরে। একদম গ্রাম।
রজত কেমন হ্যাংলা চোখে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। গ্রামের মেয়ের মধ্যেও এত চটক।
-কে কে আছে তোমার বাড়ীতে?
-কোলের একটা বাচ্চা আছে, আর কেউ নেই।
বাচ্চার মায়েরও এত ভরা যৌবন? এ তো ফেটে পড়ছে।
-বাচ্চাটা কোথায়?
-ওকে দোলনের কাছে রেখে এসেছি। এখানে এনে কি হবে? ঘ্যান ঘ্যান করবে। কাজের ব্যাঘাত হবে। দোলনই ওকে দেখবে।
-তুমি দোলন কে চেন কি করে?
-ওতো বিয়ের আগে আমার গ্রামেই থাকত। এখন বিয়ে করে তোমার এ তল্লাটে চালা
ঘরটায় স্বামীর সাথে থাকে। ওর স্বামী বালবের কারখানায় কাজ করে। আমাকে ঐ খবর
দিল। গ্রামে গেছিল, বলল-তোমার বউ কাজের লোক খুজছে।
-আর তোমার স্বামী?
-ওর সাথে ঘর করিনা।
-কেন?
-ওকে আমার পছন্দ নয়। সারাদিন কোন কাজ নেই।শুধু মদ নিয়ে পড়ে থাকে। সম্পর্ক রেখে কি হবে?
রজত মনে মনে ভাবল,তাহলে তো আমার সাথে সম্পর্ক হতে পারে।বেশ ভালমতই মজেছে রজত।
মেয়েটা একটু নীচু হোল। মনে হোল ভিজে স্তনদুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে খসে
বেরিয়ে আসতে চাইছে। রজতের কানের পাশটা গরম হয়ে উঠল। মনে হোল ঐ বুকের মধ্যে
যদি মুখটা রাখতে পারত একবার একবার।
-তোমার নামটা যেন কি বললে?
-সিরিজা।
-এত সুন্দর নাম। তোমার স্বামী তোমাকে ধরে রাখতে পারল না?
-ওর কথা আর বোল না। জাতে মাতাল। তাল ঠিকানা নেই। নেশার জন্য রোজ দুতিন
বোতল মাল পেলেই হোল। আর কিছুর দরকার নেই।ওকে আমার ঠিক পছন্দ নয়। বউকে তো
খাওয়ানোর মরদ নেই। তার চেয়ে ওখানেই থাক। আমি ওকে ছেড়ে চলে এসেছি। তোমারও
ভক্তি হবে না লোকটাকে দেখলে। আমি আর আপদ স্বামীর কাছে ফিরে যাব না।
রজতের মনে হোল মেয়েটার তার মানে কোন বাঁধন নেই। ওর যৌবনের দাপটটাই ওর স্বামীর থেকে ওকে আলাদা করেছে।
-কিন্তু তোমার স্বামী যদি এখানে আসে?
-চিন্তা কোর না। আমি এখানে থাকলে তোমার কোন অসুবিধা হবে না। খালি আমার কথা এক্ষুনি কাউকে বোল না।
রজত মনে মনে ভাবছে স্বামীতো মন থেকে মুছেই গেছে। কিন্তু তোমার যা শরীরের
ঝলক। এই মেয়েকে পাওয়ার জন্য কত লোকই না জানি ওর পিছনে ঘুরঘুর করবে। বেশ
মনঃপূত হয়েছে। কাজের মেয়ে এমন? ভাবাই যায় না। ভাগ্য যদি সহায় থাকে, ওফঃ
তাহলে যে কি হবে?চোখ দিয়ে খালি মেপে যাচ্ছিল মেয়েটাকে। যাকে বলে
পর্যবেক্ষন। মনে মনে বলল-একটু দিলখুস করে দাও না?
-তোমার বউতো এখন নেই। তাহলে কি হবে? আমি তাহলে এখন যাই।
রজতের হাতে সিগারেটটা পুড়ছিল। হঠাত ওটা ছ্যাঁকা লেগে গেল। -না না। তুমি
থাকো। আমার বউ নেই তো কি হয়েছে? ওতো বাপের বাড়ী গেছে। চলে আসবে। তুমি আজ
থেকেই শুরু করে দিতে পারো।
মেয়েটা উঠে দাড়িয়ে রজতের ফ্ল্যাটটা ভাল করে
দেখছিল। রজতকে উদ্দেশ্য করে বলল-একটা তোয়ালে দাও না। গাটা ভাল করে মুছি।
এখনও জল লেগে রয়েছে।
রজত তাড়াতাড়ি একটা তোয়ালে এনে দিল। সিরিজা ওর পিঠ
বুক মুছছে। নীল সাগরের মতন উদ্দাম ঢেউ ওর সারা শরীর জুড়ে। শরীরের রেখাগুলো
কি উদ্ধত। যৌন সন্মন্ধের সূত্রপাতটা এখনই মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। রীতাকে
বিয়ে করে বিতৃষ্না এসে গিয়েছিল, আর সিরিজা এসে তৃষ্না বাড়িয়ে দিয়েছে।
বুকের আঁচলটা বেশ খানিকটা সরে গেছে। রজতের মুখটা আসতে আসতে রক্তিম হয়ে
উঠছে। একটা দুর্লভ সুযোগ রজতের সামনে। এ মেয়ে যেন যে সে মেয়ে নয়। ওকে
পাওয়ার একটা প্রবল ইচ্ছা জাগছে রজতের মনে। কিন্তু কোন উদ্যোগ নিতে পারছে
না। আসতে আসতে ব্যাপারটা কোন দিকে গড়াচ্ছে?
তোয়ালেটা রজতের হাতে দিয়ে সিরিজা বলল-এ ভাবে আমার দিকে দেখছ। তোমার বউ জানতে পারলে রাগ করবে।
রজত নিজেকে সামলে নিল।
-সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খেয়েছ? আমি তো সাত সকালেই চলে এসেছি। না যদি খেয়ে থাক বল করে দিচ্ছি।
-তুমি চা করতে পারো?
-শুধু চা নয়। ভাল রান্নাও করতে পারি।
-তাই।
-বউদি তো নেই। বল তোমার জন্য খাবার করে দিচ্ছি। তুমি যেটা ভালবাস।
-তুমি রাঁধবে?
-তোমাকে তো রেঁধে খাওয়ানোর লোক নেই। একদিন আমার হাতের রান্না খেয়ে দেখ ভাল লাগবে।
-বেশ তাহলে তাই।
রজত দেখল সিরিজা রান্না ঘরটার দিকে উঁকি মারছে। ও নিজেও আবার সিরিজাকে
একদৃষ্টে দেখছে, যেন মেয়েছেলে আগে দেখেনি এভাবে। একবার মনে হোল মেয়েটার মনে
হয় ক্ষিধে আছে প্রচুর। ওর স্বামী ওর ক্ষিধে মেটাতে পারে নি। এমন মেয়ে কাছে
পেলে স্বাভাবিক আচরণ চালিয়ে যাওয়া খুবকঠিন।
সিরিজা রান্নাঘরে ঢুকেছে
চা করবে বলে। রজত বাইরের ঘরের সোফাটার উপর বসল। মেজাজটা বেশ ফুরফুরে হয়ে
গেছে ওর। এতো মেঘ না চাইতেই জল। সুটকেশটা একপাশে রাখা রয়েছে। রজত ওটার দিকে
তাকিয়ে হাঁসছিল। কালকের দিবাকরের কথাও মনে পড়ছিল। সিগারেটের সুখটান দিতে
দিতে একদৃষ্টে রান্নাঘরের দিকটায় তাকিয়ে রইল।
বৃষ্টি মাথায় করে মেয়েটা
এখানে এসেছে। এরকম একটা সেক্সী মেয়েছেলে ওর কপালে জুটল কি করে? মেয়েটাকে
দেখে মনে হোল বারুদের স্তূপ। রজত যদি ওর দেশলাই কাঠি হতে পারে।নিজেকে সংযত
রাখতে পারছে না ও। এক ঝলকেই মাতিয়ে দিয়েছে সিরিজা। সারা শরীরে যে ওর
অস্থিরতা, এটা যদি মেয়েটাই কাটাতে পারে।
যে যাই বলুক, মেয়েটার মধ্যে
একটা রসভরা যৌবন আর কামচেতনা আছে। রজতকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দিয়েছে। আচ্ছা ও
যদি শাড়ীটা খুলে একবার ন্যাংটো হয়। সম্পূর্ণ নগ্ন এক নারী। রজত বর্তে যাবে।
উলঙ্গ সৌন্দর্য। কাপড় চোপড় পড়া না থাকলে দারুন লাগবে। কেমন যেন
সুখানুভূতি। এসব চিন্তা করলেই দু পায়ের মাঝখানে রক্তসঞ্চালন বেড়ে যায়।তার
মানে নতুন ঝি কে নিয়ে স্ক্যান্ডালের গন্ধ। তাও আবার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে?ঐ
চ্যাপ্টারটা তো ক্লোজড্ হয়ে গেছে। এখনতো নতুন চ্যাপ্টার শুরু। যৌনসুখের
জন্য এমন মেয়ের দ্বারস্থ হওয়াই যায়। সবসময়ের জন্য একটা কাজের মেয়ের দেহ
উপভোগ করার সুযোগ যদি পাওয়া যায় অবাধে তাহলেই একা থাকার অভাবটা ঘুচবে। আর
রজত তো ঠিক এমনটাই চেয়েছিল।
সিরিজা চা নিয়ে এসে ঘরে ঢুকল। দেখল রজত সোফায় বসে একমনে কি যেন ভাবছে।
-তোমার চা করেছি। খেয়ে নাও ঠান্ডা হয়ে যাবে।
চা টা টেবিলে রাখার সময় দেহটা সামনের দিকে ঝুকে পড়ল। রজত দেখল ওর বুকের গভীর খাঁজ।
চায়ের কাপটা মুখে ঠেকাল রজত। কি করবে আর কি বলবে বুঝেই উঠতে পারছে না। যেন আর তর সইছে না। মেয়েটা যদি যেচে এসে একবার ছোঁয়া দেয়।
ওকি জেনেশুনে একস্পোস্ করছে নিজেকে? রূপের ঝলকানিতে তো চোখ ধাঁধিয়ে
যাচ্ছে বারবার। যত দেখছে তত আকর্ষন বেড়ে যাচ্ছে। এই উদ্দামতা কি ঠেকিয়ে
রাখা যাবে?
মনে মনে ভাবছে, একবার ওকে বলবে কিনা? -তোমাকে পাওয়ার জন্য
আমি কত পাগল হচ্ছি সিরিজা তুমি জানো? আমার ছটফটানিটা দেখে তুমি কিছু বুঝতে
পারছ না? তুমি যদি সাড়া না দাও আমার চলবে কি করে? তোমাকে একবারের জন্য
জড়িয়ে ধরব।একবার শুধু তোমার ঠোটে ঠোটটা রাখব, আর বুকে মুখটা ঘসব।
-তোমার ঘরে ঝুল ঝাড়ু আছে?
-ঝুল ঝাড়ু? রজত শুনে আঁতকে উঠল।
-না নেই। ঝুল ঝাড়ু কি করবে?
-দেখছ না দেওয়ালে কত ময়লা জমেছে। ঐগুলো পরিষ্কার করে দিতাম।
-না নেই তো কাছে। ছাড়ো ও তোমাকে পরিষ্কার করতে হবে না।
-বেশ তাহলে ঐ ফটোটা?
-কোন ফটোটা?
মাথার উপর দেওয়ালে রজতের ছবিটার দিকে তাকিয়ে সিরিজা বলল-ওটাতো তোমার ফটো।
একটা কাপড় থাকলে দাও না। এত সুন্দর ছবি তোমার। ময়লা জমেছে। পরিষ্কার করে
দিই।
-ওতো অনেক উঁচুতে। তুমি পারবে না।
-ঠিক পারব। এই সোফার উপর দাঁড়ালেই নাগাল পেয়ে যাব।
রজত ভেতরের ঘর থেকে একটা পুরোন কাপড় এনে সিরিজার হাতে দিল। ও কাপড়টা হাতে
নিয়ে সোফার উপর উঠে দাঁড়াল। ফটোটা মুছছে আর আড় চোখে রজতের দিকে তাকাচ্ছিল।
গোড়ালিটা মাঝে মাঝে উঁচু করছিল পেছন থেকে শাড়ীশুদ্ধু পাছাটা দেখিয়েই রজতকে
পাগল করে দিচ্ছে।
রজতের বেশ ভাল লাগছিল। মনে হচ্ছিল কাছে গিয়ে ওকে কোলে তুলে নেয়।
হাত বাড়িয়ে ফটোটার নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করছে। মোছার কাপড়টা হঠাত হাত
ফোস্কে মাটিতে পড়ল। রজতের দিকে তাকিয়ে বলল-এই কাপড়টা একটু আমার হাতে দেবে?
রজত ওটা ওর হাতে দিল। সিরিজা এবার পা ফোস্কে সোফা থেকে পেছন মুখ করে পড়ল।
মাটিতে পড়ার আগেই রজত ওকে লুফে নিল। ক্যাচ্, একেবারে হিন্দী সিনেমার মতন।
শাড়ীর আঁচল বুক থেকে সরে গিয়ে মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। রজত আবার আরেক
মূহূর্ত পাথরের স্ট্যাচু। ওর চোখটা ঠিকরে বেরোচ্ছে এবার। সিরিজার দুটি
পর্বত আকারের মাই। গলার কাছ থেকে নেমে এসেছে, বুকের দীর্ঘ খাঁজ। সারা বুক
জুড়েই রাজত্ব করছে স্তন। মাই দুটো যেন ব্লাউজ ভেদ করে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
রজত ওর বুকদুটোকে দেখছে বিস্ময় সহকারে। এমন বুকের জন্য যে কোন মেয়েছেলে
গর্ভ অনুভব করতে পারে।
-আর একটু হলেই পড়ে যাচ্ছিলাম আর কি।
-প্রথম দিনই কাজে এসে তোমার চোট লেগে যেত।
-তুমিতো ধরে নিলে আমাকে। ভাগ্যিস।
রজত সিরিজাকে ওর বাহূর কোল থেকে নামিয়ে দিল। মাটিতে শাড়ীর আঁচলটা গড়াগড়ি
খাচ্ছে। সিরিজা ওটা তুলতে ব্যাস্ত। একটু ঝুঁকে গোছাটাকে সামলানোর চেষ্টা
করছিল। রজত দেখল সিরিজার বুকের খাঁজটা তখনও বেরিয়ে আছে। রজত চোখ দিয়ে ওর
বুকদুটোকে গিলছে। সিরিজা কোন ভ্রুক্ষেপ করছে না তাতে।
দুটো বাতাবী
লেবুর মতন ডাঁসা ডাঁসা বুক। স্তনদুটো যেন বিশাল হাওয়া ভর্তি বেলুন। মায়াবী
স্তন। কি তেজ ওর ঐ বুকের। যেন ঝলসে উঠছে বুকটা। রজত প্রবলতর যৌন উত্তেজনা
আর শীর্ষসুখকে বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছিল। চুম্বক শরীরটা যেন আগুন ধরিয়ে
দিচ্ছে। সারা শরীরে রজতের একটার পর একটা বিদ্যুত খেলে যাচ্ছে। বাকী জীবনের
সমস্ত সুখটাই যেন ওর উপর নির্ভর করছে।
শরীরে রজতের একটার পর একটা বিদ্যুত খেলে যাচ্ছে। বাকী জীবনের সমস্ত সুখটাই যেন ওর উপর নির্ভর করছে।
মনে মনে বলল, এলেই যদি এত দেরী করে এলে কেনসিরিজা।তোমাকে আগে পেলে কী
দারুন ব্যাপারটাই না হতো।দেখ আমি কেমন কামাতুর হয়ে গেছি তোমার জন্য।এই
ইচ্ছাটাকে আমি কিছুতেই দমন করতে পারছি না।সবকিছু ফেলে শুধু তোমাকে নিয়েই
পড়ে থাকতে ইচ্ছে করছে।
আত্মহারার মতন তাকিয়ে ছিল রজত। সিরিজা কি ওকে গ্রাস করছে মাদী মাকড়শার মতন? এ কি পরিচারীকা না তীব্র যৌনতার প্রতিচ্ছবি?
জামা কাপড় না খুলেই এই। খুললে কি হবে? সেক্স কতটা মারাত্মক বোঝা যাচ্ছে। পূর্বরাগে, শৃঙ্গারে, অগ্নিগর্ভ করে তুলতে হয় এসব নারীকে।
সিরিজা বলল-তোমার ঘরে কিছু পড়ার মতন আছে? শাড়ী? এটা একদম নেতিয়ে গেছে।
রজত থতমত খেয়ে বলল-না তো?
-সেকী বউও নেই। শাড়ীও নেই।
-না মানে আলমাড়ীটায় তালা দেওয়া। চাবি আমার কাছে নেই।
-দেখ বাপু। এই ভিজে শাড়ী পড়ে আমি থাকতে পারব না। তাহলে আমি শাড়ীটা খুলে
ফেলছি। শুধু ব্লাউজ আর শায়া পড়ে তোমার ঘরে ঘোরাফেরা করব। আমার দিকে কিন্তু
একদম তাকাবে না।
রজত ঢোঁক গিলে বলল আচ্ছা।
-তোমার সামনেই ছাড়ব না শোয়ার ঘরে যাওয়ার আমায় অনুমতি দেবে?
ইচ্ছে থাকলেও রজত ‘সামনে’ কথাটা বলতে পারল না। সিরিজা রজতের শোবার ঘরে
চলে গেল শাড়ী খুলতে। সোফায় বসে রজত মনে মনে ভাবছে এতো দেখছি আমার থেকেও
বেশী নির্লজ্জ্ব। শাড়ীটা খুলে যখন শোওয়ার ঘর থেকে বেরোবে না জানি কি হবে।
গায়ের লোমগুলো সব খাঁড়া হয়ে যাচ্ছে। একটা শিহরণ হচ্ছে।
এরপরে যদি আবার স্বেচ্ছায় গা থেকে একটা একটা খুলে আবার নগ্ন হয় তাহলে যেন রজতকে বলে দিতে হবে না কি করতে হবে।
ব্লু ফিল্ম এর কোন এক নায়িকার নগ্ন ছবি দেখেছিল রজত। সিরিজা কি ঐরকম হবে?
আমিই যদি এখন ওর একমাত্র পুরুষ হই? যে ওকে আনন্দ দেবে। অনায়াসে ওর বুকে
হাত ছোঁয়াবে। ওর শরীরটা নিয়ে খেলা করবে। রজত খুব ভাগ্যবান। নইলে এমন চোখ
ঝলসানো শরীরটা ওর কাছে এসে জুটল কি করে?
রজত ভাবছিল কতভাবে এই নারীকে
ভোগ করা যায়? একটু আগে ঘরের মধ্যে সিরিজার ভেজা শাড়ী, ওর আঁচল সামলানো
মূহূর্ত, চমক লাগানো যৌনতার ঝিলিক,সারা শরীরের ঝলকানি তখনও রজতকে বিস্ময়ে
রেখেছে। এখনই মনে হচ্ছে অতল জলে তলিয়ে গেছে রজত। যেন লোভনীয় একটা বস্তু।
প্রথম দিনই কাজে এসে রজতকে নিজের ভারী বুক দেখিয়ে প্রায় পাগল করে দিয়েছে।
দুটো তানপুরার মতন বড় বড় স্তন। মেয়েদের এত বড় বুক খালি চোখে রজত কোনদিন
দেখেনি। একবার শরীরের ছোঁয়াও দিয়েছে। কিন্তু যৌনতার স্বাদ্ এখনও কিছু দেয়নি
ও। তাতেই আগুনে জ্বলে যাচ্ছে রজতের সারা শরীর। এমন রত্নভান্ডার পেলে এমন
হওয়াটাই স্বাভাবিক।
সিরিজা ঘর থেকে বেরাল। ওর পরণে তখন শাড়ীটা নেই।
-আমি ঠিক জানতাম। তুমি তাকবে। বুকের উপর শাড়ীটা নেই তো? আমার গ্রামের ছেলেগুলোও ঠিক এইভাবে তাকাত।
-না মানে।
-কোন মেয়েছেলের বুক দেখ নি আগে?
-না মানে।
-তোমার বউ যদি জানতে পারে, ঝ্যাটা পেটা করবে তোমায়।
-না আসলে আমি একটু অন্যমনস্ক ছিলাম। তুমি তাড়াতাড়ি ঢুকবে বুঝতে পারিনি।
-শাড়ী ছাড়তে আবার বেশী সময় লাগে না কি?
রজত দেখল সিরিজার বলা আর করার সাথে মিল খাচ্ছে না। নিজেই রজতের সামনে
দাঁড়িয়ে হাত দুটো দিয়ে ব্লাউজটাকে ধরে কি সব করছে। ওর বুকের ভারে যেন
ব্লাউজটা ছিঁড়ে ফেটে যাবার উপক্রম। শারিরীক ঐশ্বর্য না ঢাকলেই তো ভাল। মনে
মনে ভাবল, ভগবান কি সুন্দর করে ওর শরীরটাকে বানিয়েছে। কি গঠন। পুরো তাজ্জব
বনে যেতে হয়।
-আমি কি স্বপ্ন দেখছি?
-তুমি সেই দেখেই যাচ্ছ আমাকে। এই শোন, তোমার জন্য রান্না কি করতে হবে বল। জলখাবার বানিয়ে দেব কিছু?
রজত যেন ঘোরে ছিল এতক্ষন। ঘোরটা কেটে যেতেই বলল-কি বানাবে?
-বলতো লুচী পরোটা বানিয়ে দিতে পারি তোমার জন্য। ঘরে ময়দা আছে?
-আছে।
-বউ নেই বলে এতদিন বুঝি নিজে রান্না করে খেয়েছ?
-হ্যাঁ।
-ভাল কথা, চা টা কেমন হয়েছে বললে না তো?
-ভাল।
-তুমি তাহলে বস। আমি জলখাবার বানিয়ে আনছি।
আবার সেই হেঁসেলে গিয়ে ঢুকল সিরিজা। রজতের ভেতরের আগুনটা থেকে থেকেই
সিরিজাই জ্বালিয়ে আবার নিভিয়ে দিচ্ছে। ওকি রজত কে পরীক্ষা করছে? পূর্ণ
স্বাধীনতাটা কখন দেবে? না কি রজতের হাবভাব লক্ষ্য করছে। মেয়েটা সাংঘাতিক।
নইলে শুধু উস্কানি দিচ্ছে কেন? না কি রজতকে বশে আনার চেষ্টা করছে? রজতও তো
সেই চেষ্টাই করছে। কিন্তু পারছে না। চাহিদা বাড়ানোর জন্য মেয়েরা অনেক সময়
এরকম করে। তাড়াহুড়ো করলে হবে না। ধৈর্য ধরতে হবে।
রান্নাঘর থেকে চেঁচিয়ে সিরিজা বলল-হঠাত কেউ এসে পড়লে আমায় বলবে। আমি তোমার শোবার ঘরে চলে যাব।
নাঃ। এভাবে আর থাকা যায় না। শুকনোমুখে শুধুই স্তনযুগলের জোয়ার? রজত
নিজেকে আর দমাতে পারছে না। শুধুই হাতছানি আর ইশারায় মন ভরছে না। যৌন
উত্তেজনায় কুড়ে কুড়ে মরছে, অথচ ও শরীরে শরীর ঠেসে সিরিজাকে শুষে নিতে পারছে
না। রজত কি এতই দূর্বল? এত মেয়ের সঙ্গ করল আর সিরিজার যৌবনটাকে পুরোপুরি
ভোগ করতে পারছে না? ওর পৌরুষে কি কোন কমতি আছে? ওর বর ওকে আগলে রাখতে
পারেনি বলে কি রজতও পারবে না? ও কি কামনা করতে পারে না সিরিজাকে এক বিছানায়
পাওয়ার? কার সাহস আছে কিছু বলার, বিরুদ্ধচারণ করার? রজত ওর সাথে একটা
চুক্তী করতে চায়। দিনের পর দিন চোদন সঙ্গম দেওয়ার সুখ। সঙ্গম সুখে পাগল হতে
চায় ও। জীবনটাকে পাল্টে দিতে চায় রজত।ওর যৌনসঙ্গিনীর অভাব পূরণ করতে চায়
ভালমতন। সিরিজার সাথে দৈহিক সম্পর্ক শুরু করতে চায় রজত।
যৌনসঙ্গমের
জন্য কারুর উপর জোড় না খাটালেই তো ভাল। সিরিজার দিক থেকে যদি বাঁধা না আসে
ক্ষতি কি? ও সিরিজাকে সব বলে দেবে। বলে দেবে ওর বউ নেই। চলে গেছে ওকে ছেড়ে।
সিরিজা যদি ওকে সঙ্গ দিতে পারে তাহলে থাকুক এখানে। আমি জানতে চাইব সিরিজার
কাছে ও আমাকে নিয়মিত যৌনসুখ দিতে পারবে কিনা? ওকে দেখে আমার একটা কামনার
নেশা তৈরী হয়েছে। সিরিজার কাছে আমি জানতে চাইব ও সেটা ফিল করছে কিনা?
“আমি তোমাকে নির্বাচন করতে চাই শরীরের ক্ষিধে মেটাতে। তুমি পরিচারীকা হলেও আমার কিছু যায় আসে না। বল তুমি সাড়া দেবে কিনা?”
আগ্নেয়গিরিটা ফুটছে। রজত ভাবল সিরিজা এবার রান্নাঘর থেকে যখন বেরোবে, তখন রজতকে অন্যরকম দেখবে।
সবে মাত্র নতুন সিগারেটটা মুখে নিয়েছে রজত ধরাবে বলে। সিরিজা রান্নাঘর থেকে ছুট্টে বেরিয়ে এল।
ওর বুকের ব্লাউজটা ঘামে ভিজে গেছে। সিরিজা বলল-তোমার রান্নাঘরের ভেতরটা কি গরম। আমি ঘামে ভিজে চান হয়ে গেছি।
রজত সিগারেটটা মুখে নিয়ে ভাবছে কি বলবে। সিরিজা বলল-বসে বসে আমার কথা চিন্তা করছিলে?
রজত অবাক চোখে সিরিজার দিকে তাকালো। মনে মনে ভাবল, ওকি করে বুঝল?মুখটা
নীচু করে সিরিজার উদ্ভাসিত বুকদুটো দেখার চেষ্টা করছিল। এই ঘামের মধ্যেও
দুধ সাদা বুক উঁকি মারছে।
সিরিজা রজতকে অবাক করে হঠাত বলল। ব্লাউজটা খুলে দেব? তুমি দেখবে?
কি বলবে বুঝে উঠতে পারছে না রজত। ওর মু্খে ভাষা নেই। জিভটা কেমন আড়ষ্ট
হয়ে গেছে। জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারছে না। শুধু দাঁতগুলো কড়কড় করছে।
সিরিজা ওর দিকে চেয়ে বলল-তুমি হাত লাগাবে না আমিই খুলব?
বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে রজত। হঠাতই শরীরে রক্তচলাচলটা অসম্ভব পরিমানে বেড়ে
গেছে। এ কী দেখছি? এও কি সম্ভব? মাথার ভেতরে পোকাগুলো যেন কিলবিল করতে শুরু
করেছে। স্নায়ুবিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে।
সিরিজা হাত লাগিয়ে ব্লাউজের
হুকগুলো খুলছে। একটু আগেই যে মাইদুটো টেপার জন্য হাত নিশপিশ করছিল রজতের
সেটা এখন উন্মোচিত হওয়ার অপেক্ষায়। ও এত কামকলার ধরন বোঝে? একটু আগে কি
ভাবছিলাম আমি আর এখন কি হচ্ছে? এমন ভাবে বুকের ব্লাউজ খুলছে যেন ওর সামনে
সম্পূর্ণ উলঙ্গ হলেও স্বচ্ছন্দ বোধ করবে নিজেকে।
চোখের সামনে যেন
একটা শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য।রজত ভীষন উত্তেজনা বোধ করছে।একটার পর একটা, তারপরে
একদম শেষ বোতাম। সিরিজার ব্লাউজটা দুপাশ থেকে খুলে গেল। ভেতরে শুধু
ব্রেসিয়ার। এবার ওটা বিসর্জন দেওয়ার অপেক্ষা।
সিরিজার কাছে ব্যাপারটা কেমন সহজ হয়ে উঠেছে। কোন সঙ্কোচই হচ্ছে না।
রজত মন্ত্রমুগ্ধ। ওর চোখে কামনা। ব্রেসিয়ারটা এবার ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খুলছে আর রজতকে লক্ষ্য করছে।
অন্যান্য মেয়েদের তুলনায় সিরিজার বুকের মাপটা প্রায় অর্ধেক এরও বেশী। এ মেয়ের কপালে পুরষ জোটা কোন ব্যাপারই নয়।
টাইট ব্রেসিয়ারটা গা থেকে যেন ছিটকে পড়ল।স্প্রিং এর মতন লাফিয়ে উঠল ওর
বুকদুটো। সিরিজার ভরাট উদ্ধত দুটো খাঁড়া খাঁড়া বুক। বিস্ময় শেষ হয় না।
বিস্ফোরিত চোখে দেখছে রজত।
গ্লোবের মতন সম্পূর্ণ অনাবৃত স্তন। এত কাছ থেকে স্তন দেখা। স্তনের বোঁটার মুখ ধারালো।যেন আধাশক্ত হয়ে উঠেছে।
রজতের মাথা ঘুরে গেছে।
সিরিজা বলল, কি এটাই দেখতে চাইছিলে তো? এবার বল আমায় নিয়ে তুমি কি করতে চাও?
রজত উত্তপ্ত। বুঝতে পারছে ওর ভেতরে কি হচ্ছে। শুধু সিরিজাকে বলল-আমি একটা চুমু খেতে পারি?
-জানো কিভাবে খেতে হয়?
-তুমি শিখিয়ে দেবে?
সিরিজা রজতের গলা জড়িয়ে ওর ঠোটে চুমু খেল। একদম দম ফাটানো চুমু।পাল্টা প্রতিদান দিতে রজত তখন মরিয়া।
সিরিজা ঠোট দুটো পাখির বাচ্চার ঠোটের মতন ফাঁক করে বলল-নাও এবার একটু
চু্ষে দাও। রজত ঝাঁপিয়ে পড়ল ঠোটের উপর। দুহাতে মাথাটা ধরে শিশুর মতন ওর ঠোট
দুটো চুষতে লাগল। রজতের শরীরের সাথে লেপ্টে গেছে সিরিজার উদ্ধত বুক। ওরা
কেউ কাউকে ছাড়তে চায় না। একজন ছাড়ে তো আরেকজন ধরে। অনেক্ষন ধরে চলতে লাগল
চুন্বন পর্ব।
রজত যেটা করতে চাইছিল, সেটাই সিরিজা ওকে দিয়ে করিয়ে নিল।
তখনও চুম্বনের দাপাদাপিটা কমেনি। রজত ওর ঠোটটা প্রানপনে চুষছে। চুম্বনের
ক্ষুধা আরো তীব্রতর হচ্ছে। সিরিজা ওর গলা জড়িয়ে ঠোটটা ঠোটের নীচে রেখেছে,
আর ওকে সাহস যোগাচ্ছে।
রজত খালি বলল-তোমাকে ছাড়তে ইচ্ছে করছে না সিরিজা। এভাবে কোন মেয়েকে আমি কোনদিন চুমু খাই নি।
নাছোড়বান্দার মতন শুধু একবার ঠোটটা আলগা করেই আবার চুবিয়ে দিল সিরিজার ঠোটের সাথে।
ওর পিঠটা হাত দিয়ে চটকাতে ইচ্ছে করছে। সিরিজার পিঠটা কি নরম আঃ।
কত সহজে মেয়েটা আমার কাছে এসে ধরা দিয়েছে। ওকে আপন করে যৌনমস্তি করতে কোন
বাঁধা নেই। রজত মনে মনে ভাবছিল সিরিজা অন্যের স্ত্রী। কিন্তু ওকে ভোগ করছে
রজত। রজতের এতদিনের অভিলাষ এবার পূর্ন হোল।